

তিনি বলেন, আমরা দেখেছি নারায়ণগঞ্জে ছাত্র-জনতা কিভাবে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। নারায়ণগঞ্জ, যাত্রাবাড়ী, শনির আখড়া, সাভারে ঢাকার প্রবেশ পথে আওয়ামী সন্ত্রাসী ফ্যাসিস্টদের ঢাকায় ঢুকতে দেয়নি জনতা। নারায়ণগঞ্জবাসী বুকের রক্ত দিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল বলেই ঢাকাবাসী রাজপথে নেমে এসেছিল। নারায়ণগঞ্জের সেই ইতিহাসকে শ্রদ্ধা করি উল্লেখ করে তিনি বলেন, গণঅভ্যুত্থানে নারায়ণগঞ্জের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। নারায়ণগঞ্জের মাটিতে ৫৬ জন শহীদ হয়েছেন। আমরা সব শহীদদের শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি। তাদের রুহের মাগফিরাত ও আহতদের সুস্থতা কামনা করি।এ সময় উপস্থিত ছিলেন- দলটির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, সদস্য সচিব আখতার হোসেন, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা, যুগ্ম সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল আমিন, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরুদ্দীন পাটোয়ারী প্রমুখ।