
নিজস্ব প্রতিবেদক::জমিজমা বিরোধের জেরে একই বাড়ির প্রতি পক্ষকে ঘায়েল করতে আদালতে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানির অভিযোগ উঠেছে আ’লীগ নেতা শাহতাজ ও জহিরুলের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে বরিশাল সদর উপজেলার চাদপুরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ড চানপুরা গ্রামে। ভুক্তভোগী সোহেল চাপরাসী জানান, তাদের দীর্ঘদিনের ভোগদখলীয় জমি জোরপূর্বক দখলে ব্যর্থ হয়ে প্রতিপক্ষ জহিরুল ইসলাম আদালতে সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের করেন। তার সাথে একটি প্রভাবশালী চক্রও ষড়যন্ত্রে জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।ভুক্তভোগীরা জানান, চাদপুরা মৌজার জে.এল. নং ১২৬ বি, এস. খতিয়ান নং ৩২৮,৩৭০,র বিএস দাগ ৪০৮ সহ কয়েকটি দাগে রেকর্ডীয় মালিক সোহেল গংরা। বরিশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে গত ৮ ডিসে ২৪ তারিখ আ’লীগ নেতা হাসনাত ও তার ভাই জহিরুলসহ কয়েকজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।ভুক্তভোগীদের দাবি, গত ৬ই ডিসেম্বর ২৪ তারিখে সকাল ১০টার দিকে জহিরুল, হাসনাত, সরুজরা জোরপূর্বক জমি দখলের অপচেষ্টা চালান। দখলে ব্যর্থ হয়ে আ’লীগের প্রভাব খাটিয়ে ১২/১২/২৪ তারিখ বরিশাল অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন (মামলা নং-১৮৩/২০২৪)। যাহার কারনে আমরা ব্যাপক ভাবে হয়রানির শিকার হয়েছি। আমরা বিএনপির রাজনীতি করি তাই পুলিশ আমাদের কোন কথাই শোনেনি। এছাড়া যাদের আসামি করা হয়েছে তারা ঘটনাস্থলেই ছিলেননা। তাদের দাবি উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে হয়রানি করতেই এই মামলা সাজানো হয়েছে। আদালতের কাছে সুষ্ঠু তদন্ত, মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার এবং ভোগদখলীয় সম্পত্তির নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানিয়েছেন তারা। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বিরোধীও সম্পত্তির দখলদার সোহেল, সহিদগংরা। মামলার বাদীরা ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে পলাতক রয়েছে। সহিদ চাপরাসী বলেন, আমার বাবা দাদার পৈত্রিক সম্পত্তি আমরা জহিরুল গংদের কারনে খেতে পারছি না। যখন তখন এসে তারা বাধা দিচ্ছে, মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। স্থানীয়ভাবে সালিসিতে, আদালতে আমাদের কাগজপত্র, দলিল স্বত্ব সঠিক হয়েছে।